চাঁদের খনিজ জ্বালানি পৃথিবীতে আনার উদ্যোগ

২ জুলাই, ২০২৩ ০১:৫৬  

বছরের পর বছর রেডিও টেলিস্কোপ ব্যবহার করে অবশেষে অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের বক্তব্যের প্রমাণ পেয়েছেন উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, চীন, ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ায় কয়েকশত বিজ্ঞানী। গবেষণায় তারা প্রমাণ পেয়েছেন, মহাকাশেরও নিজস্ব সুর আছে। ইউরোপীয় পালসার টাইমিং অ্যারে’র মাইকেল কিথ সংবাদসংস্থা এএফপিকে বলেন, আমরা এখন জানি যে মহাবিশ্ব মহাকর্ষীয় তরঙ্গে পরিপূর্ণ। ফলে ব্রক্ষাণ্ড যে শব্দহীন এ কথা আর এখন বলা যাবে না।

এমন পরিস্থিতিতে ২০৩২ সালের মধ্যে চাঁদের মাটিতে খননকার্য শুরু করার পরিকল্পনা করছে আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের রকেট বিজ্ঞানী জেরাল্ড স্যান্ডার্স জানিয়েছেন, চাঁদে মূল যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে, তা হল- পানি, হিলিয়াম এবং বিরল পার্থিব ধাতু। সেই পানিকে রকেটের জ্বালানিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব। হিলিয়াম শক্তি উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হবে। আর Scandium এবং Yttrium নামের যে দুই ধাতুর খোঁজ মিলেছে, তাতে বৈদ্যুতিক শিল্পক্ষেত্রকে আরও উন্নততর করে তোলা যেতে পারে। এই বিরল দুই ধাতুতে চাঁদের পাথুরে অঞ্চলগুলি সমৃদ্ধ। আর তাই আগামী দিনে চাঁদের বুকে খননকার্য চালানো এবং সেখান থেকে প্রাপ্ত সম্পদ পৃথিবীতে তুলে আনার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।